জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকীতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বাণী

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান নিম্নোক্ত বাণী দিয়েছেনঃ- 


বাণী


“জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকীতে আমি তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই । তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করি। 
বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রাণ পুরুষ, মানবতা ও সাম্যের কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর ক্ষূরধার লেখনীর মাধ্যমে সকল রকম অন্যায়, অত্যাচার, অবিচার আর জুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন। তাঁর অনন্য সৃষ্টিতে বাংলা সাহিত্য সমৃদ্ধ হয়েছে। সাহিত্যের এমন কোন শাখা নেই যেখানে কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর প্রতিভার স্বাক্ষর রাখেননি। তিনি জালিমের বিরুদ্ধে মজলুমকে বিদ্রোহ করার প্রেরণা যুগিয়েছেন। তাঁর রচিত কবিতা, গান, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ আমাদের সাহিত্য-সংস্কৃতির ভান্ডারকে করেছে সমৃদ্ধ। শোষণের বিরুদ্ধে আপোষহীন  সংগ্রাম তাঁকে ’বিদ্রোহী কবি’র খ্যাতি এনে দিয়েছে। 
কবি কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের সামনে চলার অন্তহীন প্রেরণার উৎস। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তাঁর কবিতা ও গান যুদ্ধরত মুক্তিযোদ্ধা ও এদেশের মুক্তিকামী মানুষকে সাহস ও অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে, উজ্জীবিত করেছে। আজো আন্দোলন সংগ্রামে তাঁর কবিতা ও গান আমাদেরকে শক্তি ও সাহস জোগায়। 
মানব প্রেমের এক অনন্য দৃষ্টান্ত কবি কাজী নজরুল ইসলাম। মানুষকে ভালোবেসে তাদের কল্যানে আত্ম নিবেদিত হতে তাঁর রচনা আমাদেরকে উদ্বুদ্ধ করে। তাঁর সাহিত্যকর্ম আমাদেরকে চিরকাল স্বদেশ প্রেমে অনুপ্রাণিত করবে বলে আমি বিশ্বাস করি। 
আল্লাহ হাফেজ। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।”

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিম্নোক্ত বাণী দিয়েছেনঃ- 


বাণী


“জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আমি তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। 
কবি নজরুল ইসলাম তাঁর সাহিত্যকর্মের মাধ্যমে মানবতার কথা প্রকাশ করেছেন, অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছেন। বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনে লেখনীর মাধ্যমে তিনি পালন করেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। ফলে তিনি বৃটিশ শাসকদের চক্ষুশুলে পরিণত হন এবং কারা নির্যাতন ভোগ করেন। 
কবি কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের জাতীয় জীবনে এক অন্তহীন প্রেরণার উৎস। তাঁর রচনা আমাদেরকে স্বদেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। সমাজে শান্তি ও সাম্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তাঁর স্বপ্ন পূরণে আমাদেরকে আত্মনিয়োগ করতে হবে। 
কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর সৃষ্টিকর্মের জন্য চিরদিন অমর হয়ে থাকবেন বলে আমি বিশ্বাস করি। আমি তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করি। 
আল্লাহ হাফেজ। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।”

Torna su