শহীদ ডাঃ মিলন দিবস উপলক্ষে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান নিম্নোক্ত বাণী দিয়েছেনঃ-

 বাণী
“শহীদ ডাঃ শামসুল আলম খান মিলন সামরিক শাসন বিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে একটি অবিস্মরণীয় নাম। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন চলাকালে ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর তৎকালীন সরকারের লেলিয়ে দেয়া পেটোয়া বাহিনীর গুলিতে শহীদ হন তিনি। তাঁর শাহাদৎ বার্ষিকীতে আমি তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করি।
স্বৈরাচারী শাসনের শৃঙ্খল থেকে গণতন্ত্রকে উদ্ধার করতে গিয়েই শহীদ হয়েছেন ডাঃ শামসুল আলম খান মিলন। গণতন্ত্রের জন্য তাঁর এই সর্বোচ্চ আত্মদান এদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। সকল কর্তৃত্ববাদী, স্বৈরাচারী গণতন্ত্র বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে ডা: মিলন আমাদের প্রেরণার উৎস।

আমাদের গণতন্ত্র আবারও গভীর খাদের কিনারে গিয়ে পড়েছে। ৫ জানুয়ারীর ভোটারবিহীন নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আবারও গণতন্ত্রকে হত্যা করে একদলীয় দু:শাসনের করাল গ্রাসে গিলে ফেলা হয়েছে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথচলা। গণতন্ত্রের শত্রুরা গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে ফেলেছে। মানুষের নাগরিক স্বাধীনতা অপহরণ করা হয়েছে। মানুষের কথা বলা ও ভোটের অধিকার হরণ করে অতীত বাকশালের দু:স্বপ্ন এখন ভয়াল রুপ ধারণ করে বাস্তব রুপ লাভ করেছে। গণতন্ত্র ধ্বংসকারী অপশক্তিগুলোর চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিতে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। গণতন্ত্রকে মজবুত ভীতের ওপর দাঁড় করাতে হবে। আর তাহলেই ডাঃ মিলনের আত্মত্যাগ সার্থক হবে।
আল্লাহ হাফেজ, বাংলাদশ জিন্দাবাদ।”

শহীদ ডাঃ মিলন দিবস উপলক্ষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিম্নোক্ত বাণী দিয়েছেনঃ-

বাণী
“শহীদ ডাঃ মিলন দিবস উপলক্ষে আমি ৯০-এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের শহীদ ডাঃ শামসুল আলম মিলনের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করি।

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে শহীদ ডাঃ মিলন পালন করেছিলেন অকুতোভয় সৈনিকের ভূমিকা। তাঁর আত্মদানের মধ্য দিয়ে নয় বছরের স্বৈরাচার বিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রাম চুড়ান্ত বিজয়ের দিকে ধাবিত হয়। স্বৈরাচার হটিয়ে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা ছিলো তাঁর দৃঢ় প্রতিজ্ঞা। বুকের রক্ত ঢেলে তিনি এদেশে গণতন্ত্র পূনরুদ্ধারের পথ প্রশস্ত করে গেছেন।

বর্তমান সরকার আবারও মানুষের সকল অধিকার কেড়ে নিয়ে গণতন্ত্রকে কলঙ্কিত করেছে। দেশের মানুষ তাদের সকল অধিকার হারিয়ে ফেলেছে। এখন গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দেয়ার মাধ্যমেই আমরা কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারি। সে লক্ষ্য অর্জনে শহীদ ডাঃ মিলনের আত্মত্যাগ আমাদেরকে প্রেরণা জোগাবে।
আজকের এই দিনে আমি গণতন্ত্রের পথ চলাকে নির্বিঘœ করতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানাই।
আল্লাহ হাফেজ, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।”

(এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী)
সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি।

Torna su